গাজীপুরে ওসি'র কথোপকথনের অডিও ফাঁস উদ্দেশ্যমুলক 278 0
গাজীপুরে ওসি'র কথোপকথনের অডিও ফাঁস উদ্দেশ্যমুলক
আলমগীর কবীর:
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ও চ্যানেল "এস"এর প্রতিনিধি সালাউদ্দিন এর কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশিত অডিও ক্লীপটি কয়েকবার শোনার পর দেখা যায়,সেখানে অশালীন,অশোভনীয় কোনো কথাবার্তা পাওয়া যায়নি। সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের অডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ কয়েকটি মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ার পর বেশ চাউর হয় । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী অনেকেেই ভিন্নভিন্ন মন্তব্য করেছেন।
শনিবার ২৮ জুন ২০২৫ইং কোনাবাড়ী কাশিমপুর রোডস্থ গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্স লিমি: এর হৃদয় (২০) নামের ইলেকট্রিক মেকানিক এর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তথ্য উপাত্ত চাওয়া সংক্রান্ত অডিও রেকর্ড ।
মন্তব্য গুলো নিম্নরুপ : 

এই মন্তব্য গুলোই প্রমান করে,ওসির কথাবার্তায় কোনো অশালীনভাব প্রকাশ হয়নি।
অপরাপর একজন সংবাকর্মীর ভাষাশৈলী আরও সরল হওয়া উচিত বলে মনে করেন মিডিয়ায় কর্মরত সিনিয়র সংবাদিকরা । প্রজাতন্ত্রের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অডিও রেকর্ড বা ভিডিও ধারণ করতে হলে ঐ কর্তা ব্যক্তি বা তার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হয়। অডিও রেকর্ড ধারণকারী সংবাদকর্মী নিয়ম অমান্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা তথ্য প্রযুক্তির নিয়মও অমান্য করা হয়েছে।
কয়েক মিনিটের অডিওতে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন,ঐ সাংবাদিক তার ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ বা অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য এই অডিও রেকর্ড করে থাকতে পারেন।
অপরদিকে,ওসি সালাউদ্দিন কোনাবাড়ী থানায় যোগদানের পর থেকে অনৈতিক সুবিধাবঞ্চিত কেউ কেউ তার বিরুদ্ধে লেগে থাকতে পারে। সেই সমস্ত ব্যক্তিরা নেপথ্যে থেকে সাংবাদিককে ব্যবহার করে থাকতে পারে,মনে করেন দায়িত্বশীল অনেক সরকারী কর্মকর্তা ।
যেখানে সরকার বাহাদুর চাচ্ছেন,ফ্যাসিস্ট আমলের পুলিশি কর্মকান্ডের বেঁড়াজাল থেকে রের করে আনতে । অপরদিকে কিছু সুবিধাবাদী,অন্যায়ের সাথে আপোষকারী কতিপয় ব্যক্তি চাচ্ছে, পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার ।হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী প্রশান্ত কর্মকার বলেছেন,সরকারী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা নেই ।অনুমতি ছাড়া সরকারী কোন কর্মকর্তার রুমে গোপনে অডিও রেকর্ড বা ভিডিও ধারণ করা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার সুস্পষ্ট লঙঘন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দন্ডনীয় অপরাধও বটে ।