নিজস্ব প্রতিবেদক:
শনিবার ৭ মার্চ ২০২৬ইং রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান,দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আগামী ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ আসছে। জ্বালানী সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
পৃথিবীতে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে,তার প্রভাব স্বাভাবিকভাবেই জ্বালানি খাতে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি ব্রিফ করেছি। তবে আগেও বলেছি, গতকালও বলেছি- তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। যুদ্ধ কতদিন চলবে তা নিশ্চিত না হওয়ায় সরকার সতর্কতার অংশ হিসেবে সীমিত আকারে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে তা দেখে অনেক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে’-উল্লেখ করেন তিনি।
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, “আসলে আমাদের তেলের কোনো অভাব নেই। আগামী ৯ তারিখে আরও দুইটা ভেসেল আসছে। সুতরাং তেলের কোনো সমস্যা নেই। বিশেষ করে গণমাধ্যমের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে- আপনারা জনগণকে এই বার্তাটা দিন যে তাড়াহুড়া করে তেল কেনার কোনো দরকার নেই। আমাদের কাছে মজুত আছে, আমরা নিয়মিত পেট্রোল পাম্পে তেল সরবরাহ করছি। মানুষ তেল নিতে গেলে তেল পাবে। সারা রাত লাইন দিয়ে থাকারও কোনো প্রয়োজন নেই।
মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দুই লিটার করে তেল দেওয়ার রেশনিং বাড়ানো হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপাতত তা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, যুদ্ধ কবে থামবে সেটা তো আমরা জানি না। তাই আগে থেকেই আমাদের ঘর ঠিক রাখতে হবে, সঞ্চয় করে রাখতে হবে। সেই কারণেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ প্রসঙ্গে তিনি মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে আসি। এর বাইরে বিকল্প ব্যবস্থাও আছে। আমরা সেগুলো নিয়েও কাজ করছি যাতে ভবিষ্যতে কোনো সংকট না হয়।